মৃত্যুর আগে সন্তান হত্যার বিচার দেখে যেতে চাই

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫ । ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ

কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে অশ্রুসিক্ত নয়নে সন্তান হত্যার বিচার চাইলেন বৃদ্ধ এক পিতা। যে সন্তান জুলাই গণআন্দোলনে বুলেটের সামনে বুক পেতে দিয়েছিলেন নিঃসংকোচে। সেই সন্তান হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্য আমির হোসেন ও সুজন চন্দ্র রায়ের কঠোর শাস্তি চাইলেন মকবুল হোসেন। যিনি রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহিদ আবু সাঈদের পিতা। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘আমার আশা ছিল, ছেলেটা চাকরি করবে। কিন্তু সেই ইচ্ছা আর পূর্ণ হলো না। যেহেতু আমার ছেলে শহিদ হয়েছে। এখন আমার চাওয়া মৃত্যুর আগে যেন ছেলে হত্যার বিচার দেখে যেতে পারি।’

গতকাল বেলা ১১টা ২৩ মিনিটে এজলাসে আসেন তিন বিচারক। এর আগেই এজলাস কক্ষে হাজির হন চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলামসহ অন্য প্রসিকিউটরগণ। আসেন আসামি পক্ষের কৌঁসুলিরাও। উপস্থিত ছিলেন আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেন। কাঠগড়ায় আনা হয় গ্রেফতারকৃত ছয় আসামিকে। মামলার বাকি ২৪ আসামি পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে পরোয়না জারি রয়েছে।

এজলাসে বিচারকদের আসন গ্রহণের পর সাক্ষ্য গ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেন চিফ প্রসিকিউটর। তিনি বলেন, শহিদ আবু সাঈদের গর্বিত পিতা সাক্ষীর কাঠগড়ায় আছেন। তিনি আজ সাক্ষ্য দেবেন। তাকে জেরা করার সময় যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন ও বিধিমালার বিষয়টি যেন স্মরণে রাখেন আসামি পক্ষের কৌঁসুলিরা। কারণ বিশেষ আইনে এই মামলার বিচার চলছে। ফৌজদারি কার্যবিধি ও সাক্ষ্য আইনের বিধানাবলি এখানে প্রয়োগের সুযোগ নাই।

সম্পাদক : আলী আশরাফ আখন্দ।  কপিরাইট © অগ্রণী  বার্তা সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত 

প্রিন্ট করুন