খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

মানিকছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের বিশাল সমাবেশ: পাহাড়ে সংঘাত থামিয়ে বিশ্বাস ও ভ্রাতৃত্ব গড়ার ডাক!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
মানিকছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের বিশাল সমাবেশ: পাহাড়ে সংঘাত থামিয়ে বিশ্বাস ও ভ্রাতৃত্ব গড়ার ডাক!

মানিকছড়িতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের বিশাল সমাবেশ: পাহাড়ে সংঘাত থামিয়ে বিশ্বাস ও ভ্রাতৃত্ব গড়ার ডাক!

পাহাড়ে দীর্ঘদিনের ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত, অবিশ্বাস ও অনাস্থার অবসান ঘটিয়ে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে হারানো বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে এক বিশাল সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকালে মানিকছড়ি উপজেলা টাউন হলে ‘সিএইচটি সম্প্রীতি জোট’-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সভায় পাহাড়ের ১৪টি জাতিসত্তার হাজারো মানুষ “মাতৃভূমি জিন্দাবাদ, পার্বত্য চৌদ্দ জাতি দীর্ঘজীবী হোক” এই স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠেন।

সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক। তিনি তাঁর বক্তব্যে পাহাড়ে চলমান অস্থিরতা নিরসনে তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

ইঞ্জিনিয়ার থোয়াইচিং মং শাক বলেন, “পাহাড়ে আমরা আর কোনো মায়ের বুক খালি হতে দেখতে চাই না। দীর্ঘদিন ধরে চলা ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত এবং একে অপরের প্রতি অবিশ্বাস আমাদের সমাজকে পিছিয়ে দিচ্ছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পাহাড়ে বসবাসরত সকল জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস ফিরিয়ে আনা এবং সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা। আমরা সংঘাতের পথ পরিহার করে সংলাপ ও সম্প্রীতির মাধ্যমে একটি শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ পার্বত্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে পাড়ায় পাড়ায় নিয়মিত সচেতনতা ক্যাম্পেইন পরিচালনা করছি।”

সভায় বক্তারা গভীর উদ্বেগের সাথে জানান, স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে সৃষ্ট বিভাজন পাহাড়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। এই পরিস্থিতি উত্তরণে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা পাহাড়ের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং শান্তির বার্তা পৌঁছে দিতে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছেন। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সংলাপের আয়োজন করে বিদ্যমান অবিশ্বাস দূর করা এবং একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ জাগিয়ে তোলাই তাদের প্রধান এজেন্ডা। পাহাড়ে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিকের সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে সমঅধিকার ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সংগঠনের মুখপাত্র পাইশিখই মার্মা বলেন, “আমাদের লক্ষ্য পরিষ্কার আমরা এমন একটি পার্বত্য চট্টগ্রাম চাই যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। আমরা বিশ্বাস করি, কেবল ঐক্য এবং সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা একটি নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়তে পারব। এজন্য আমরা ছাত্র-যুবকসহ সকল শ্রেণিপেশার মানুষকে এই সচেতনতামূলক আন্দোলনে শরিক হওয়ার আহ্বান জানাই।”
ভেদাভেদ ভুলে পাহাড়ের সকল সম্প্রদায়কে ‘এক বাংলাদেশ’-এর পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ ও দশের উন্নয়নে কাজ করার উদাত্ত আহ্বানের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি ঘটে।

উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন গাজী আনোয়ার, শাহীন আলম, মোবারক হোসেন, কেজো কার্বারি, মনিরুজ্জামান, নাসির উদ্দিন, অনিল কার্বারী, ইসলাম হোসেন রাফি।

 

জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
   
জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ


নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ বিকেলে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তাঁদের কবর জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ মরহুমদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়ালিউল্লাহ জাহিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, প্রচার সম্পাদক এস এম বশির আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জাফর, আইটি বিষয়ক সম্পাদক এম. ফরহাদ হোসেন, উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সাবেক জাসাস নেতা লায়ন শেখ ফরিদ উদ্দিন, মমতাজুল হক লিটন এবং হাসান (সদস্য, মালয়েশিয়া বিএনপি)।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম খান (সভাপতি), রফিকুল ইসলাম ইলিয়াস (সাধারণ সম্পাদক), মো. বাদ হাওলাদার (সহ-সাধারণ সম্পাদক), আরিফ হোসেন, সাইফুল সোহেল রানা, আব্দুল্লাহ আর রাফিউ ও শাহিন আলম সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়াই হবে তাঁদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
   
সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
  1. সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
    স্টাফ রিপোর্টার: এম এ জামান

দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সবার আগে প্রয়োজন দেশপ্রেম—এমন মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান। তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যেক নাগরিককে কর প্রদানে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে মতিঝিলে ভ্যাট, ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিষয়ে ছয় মাসব্যাপী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান আরও বলেন, রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে দেশের সকল করদাতা নাগরিককে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্যাক্স প্রদানে আগ্রহী হতে হবে। কর ফাঁকির সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত ভ্যাট ব্যবস্থা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদান করা আমাদের সকলের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। জনগণকে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা ভ্যাট-ট্যাক্স প্র্যাকটিশনারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশপ্রেম ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সকল প্রতিষ্ঠানকে আরও জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
৬ ডি বিচ সল্যুশন কনসালটেন্সি ফার্ম আয়োজিত এই ছয় মাসব্যাপী ডিপ্লোমা কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি এবিএম শাহজাহান। তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ৬ ডি বিচ সল্যুশনের ব্যবস্থাপনা পার্টনার ও আয়কর আইনজীবী মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাট ও ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্সকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি। আমরা রাজস্ব আদায়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য। দুর্নীতি রোধে জিহাদের মতো মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে এবং সবাইকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একেএম দেলোয়ার হোসেন, এফসিএমএ, ড. নুরুল আজহার (প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ভ্যাট বার অ্যাসোসিয়েশন), মোঃ সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এনবিআরের রাজস্ব কর্মকর্তা আসিফ আহমেদসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২১ অপরাহ্ণ
   
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত।

মানবতার রাজনীতির দল বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেছেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা অগ্নিসংযোগ বাক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে জংগীবাদী সন্ত্রাসবাদী স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক অপরাধ হয়েছে।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন সাংবাদিক ও সংবাদ মিডিয়ার স্বাধীনতা হরন ও কন্ঠ রোধ স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক হিংস্র পাশবিক ফ্যাসিবাদী চরিত্র এবং সত্য ও মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামান্তর।

ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান বলেন ক্ষমতাসীন মহল জনগণের জীবনের নিরাপত্তা যেমন রক্ষা করতে পারে নাই তেমনি বাক স্বাধীনতাও রক্ষা করতে পারে নাই, বরং জীবনের নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার হরনকারি ও গণতন্ত্রের শত্রু হিংস্র সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির বিষাক্ত ধারাকে রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে।

জীবনের নিরাপত্তা ও জীবনের স্বাধীনতা এবং ধর্মের মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র ছাড়া রাষ্ট্র একক গোষ্ঠীবাদি হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির জবরদখলে রুদ্ধ ও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আল্লামা ইমাম হায়াত জনগণকে সতর্ক করেছেন।

জীবন ধর্ম রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণকে সকল ধ্বংসাত্মক উগ্রবাদী সন্ত্রাসবাদী হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির দল বর্জন করে সব ধর্মের সব মত পথের সব মানুষের সমান নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার ভিত্তিক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্রের লক্ষ্যে সব মানুষের প্রতিনিধিত্বশীল মানবতার রাজনীতির ভিত্তিতে ইনসানিয়াত বিপ্লবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানান।
– শেখ রায়হান রাহবার, মহাসচিব, #বিশ্ব_ইনসানিয়াত_বিপ্লব_বাংলাদেশ, 01786272829