খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েম ও ফরহাদের জয়জয়কার!

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
ডাকসু নির্বাচনে সাদিক কায়েম ও ফরহাদের জয়জয়কার!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি ও জিএস পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে। ভিপি পদে সাদিক কায়েম এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ জয়ের পথে রয়েছেন।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ১৬টি হলের প্রাপ্ত ফলাফল থেকে এমন আভাস মিলেছে।

কোন হলে কে কত ভোট পেলেন-
শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব হলে ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ৭৪২ ভোট পেয়েছেন। এ ছাড়া আবিদুল ইসলাম ২২৭, উমামা ফাতেমা ২২৩, শামীম হোসেন ৩৩৭, আবদুল কাদের ৬৪ এবং বিন ইয়ামিন মোল্লা ১২ ভোট পেয়েছেন।

এই হলে ডাকসুর জিএস প্রার্থীদের মধ্যে এস এম ফরহাদ ৫৯৫ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া মেঘমল্লার বসু ৩১২, আবু বাকের মজুমদার ৯৩, তানভীর বারী হামিম ২২৯ ভোট পেয়েছেন।

কুয়েত মৈত্রী হলে ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ৬২৬ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ২১০ ভোট। উমামা ফাতেমা ২২৬, শামীম হোসেন ২৩৩, আবদুল কাদের ৪৭ ও বিন ইয়ামিন মোল্লা ৬ ভোট পেয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে হলে ছাত্রশিবিরের সমর্থিত ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম পেয়েছেন ৬৪৪ ভোট। আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১৪১ ভোট।

কবি সুফিয়া কামাল হলে সাদিক কায়েম ১২৭০ ভোট পেয়েছেন। ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান এ হলে পেয়েছেন ৪২৩ ভোট। আবিদুল সুফিয়া কামাল হল কেন্দ্রে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।

ফজলুল হক মুসলিম হলেও ৮৪১ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন সাদিক কায়েম। এ হলটিতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ১৮১ ভোট পেয়েছেন।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ হলেও এগিয়ে সাদিক কায়েম। হলটিতে তিনি পেয়েছেন ৯৬৬ ভোট। ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১৯৯ ভোট।

শামসুন নাহার হলেও ভিপি পদে ১১১৪ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন শিবিরের সাদিক কায়েম। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৪৩৪ ভোট।

মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলেও এগিয়ে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম। হলটিতে তিনি পেয়েছেন ৮৪১ ভোট। এ হলে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১৮১ ভোট।

রোকেয়া হলে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম ১৪৭২ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি পেয়েছেন ৫৭৫ ভোট।

জগন্নাথ হলে ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান ১২৭৬ ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছেন। হলটিতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম পেয়েছেন মাত্র ১০ ভোট।

সার্জেন্ট জহুরুল হক হলেও এগিয়ে শিবিরের প্যানেলের প্রার্থীরা। হলটিতে ভিপি পদে ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম পেয়েছেন ৮৯৬ ভোট। তার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছেন ছাত্রদলের প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান। তিনি পেয়েছেন ৩১৪টি ভোট।

এসএম হলেও ছাত্রশিবিরের সাদিক কায়েম এগিয়ে। ভিপি পদে তিনি ভোট পেয়েছেন ৩০৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ১১০ ভোট।

জসিম উদ্দীন হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৬৪৭ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম পেয়েছেন ১৮৭ ভোট। এছাড়া উমামা ৬২, আবদুল কাদের ৫৫, শামীম হোসেন ৯৪ এবং বিন ইয়ামিন মোল্লা ৪ ভোট পেয়েছেন।

এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৫৪০ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া তানভীর বারী হামিম ২৫৫, মেঘমল্লার বসু ৮১, আবু বাকের মজুমদার ৬৭ ভোট পেয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৮৪২ ভোট পেয়েছেন। আবিদুল ইসলাম ২৩৮, উমামা ফাতেমা ৬৯, আবদুল কাদের ৬৭, বিন ইয়ামিন মোল্লা ১১ এবং শামীম হোসেন ১২২ ভোট পেয়েছেন।

এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এসএম ফরহাদ ৬৮৩, মেঘমল্লার বসু ১২৪, আবু বাকের মজুমদার ৮১ এবং তানভীর বারী হামিম ৩০৭ ভোট পেয়েছেন।

সূর্যসেন হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৭৬৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া আবিদুল ইসলাম ২১০, উমামা ফাতেমা ৬৪, আবদুল কাদের ৬৪ এবং শামীম হোসেন ১২১ ভোট পেয়েছেন।

এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এস এম ফরহাদ ৫৬৮ ভোট পেয়েছেন। আরাফাত চৌধুরী ১৬৪, মেঘ মল্লার বসু ১০৮, আবু বাকের মজুমদার ৬৬ এবং তানভীর বারী হামিম ২৮৫ ভোট পেয়েছেন।

বিজয় একাত্তর হলে ডাকসুর ভিপি পদে সাদিক কায়েম ৯৯১ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া আবিদুল ইসলাম ২৭৮, শামীম হোসেন ১৯১, উমামা ফাতেমা ১০৪, ওআবদুল কাদের ৯৫ ভোট পেয়েছেন।

এই হলে ডাকসুর জিএস পদে এস এম ফরহাদ ৭৭৯ ভোট পেয়েছেন। এছাড়া তানভীর বারী হামিম ৪৪২, মেঘমল্লার বসু ১৪৫ ও আরাফাত চৌধুরী ১৯৪ ভোট পেয়েছেন।

জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
   
জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ


নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ বিকেলে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তাঁদের কবর জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ মরহুমদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়ালিউল্লাহ জাহিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, প্রচার সম্পাদক এস এম বশির আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জাফর, আইটি বিষয়ক সম্পাদক এম. ফরহাদ হোসেন, উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সাবেক জাসাস নেতা লায়ন শেখ ফরিদ উদ্দিন, মমতাজুল হক লিটন এবং হাসান (সদস্য, মালয়েশিয়া বিএনপি)।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম খান (সভাপতি), রফিকুল ইসলাম ইলিয়াস (সাধারণ সম্পাদক), মো. বাদ হাওলাদার (সহ-সাধারণ সম্পাদক), আরিফ হোসেন, সাইফুল সোহেল রানা, আব্দুল্লাহ আর রাফিউ ও শাহিন আলম সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়াই হবে তাঁদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
   
সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
  1. সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
    স্টাফ রিপোর্টার: এম এ জামান

দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সবার আগে প্রয়োজন দেশপ্রেম—এমন মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান। তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যেক নাগরিককে কর প্রদানে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে মতিঝিলে ভ্যাট, ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিষয়ে ছয় মাসব্যাপী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান আরও বলেন, রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে দেশের সকল করদাতা নাগরিককে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্যাক্স প্রদানে আগ্রহী হতে হবে। কর ফাঁকির সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত ভ্যাট ব্যবস্থা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদান করা আমাদের সকলের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। জনগণকে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা ভ্যাট-ট্যাক্স প্র্যাকটিশনারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশপ্রেম ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সকল প্রতিষ্ঠানকে আরও জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
৬ ডি বিচ সল্যুশন কনসালটেন্সি ফার্ম আয়োজিত এই ছয় মাসব্যাপী ডিপ্লোমা কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি এবিএম শাহজাহান। তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ৬ ডি বিচ সল্যুশনের ব্যবস্থাপনা পার্টনার ও আয়কর আইনজীবী মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাট ও ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্সকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি। আমরা রাজস্ব আদায়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য। দুর্নীতি রোধে জিহাদের মতো মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে এবং সবাইকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একেএম দেলোয়ার হোসেন, এফসিএমএ, ড. নুরুল আজহার (প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ভ্যাট বার অ্যাসোসিয়েশন), মোঃ সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এনবিআরের রাজস্ব কর্মকর্তা আসিফ আহমেদসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২১ অপরাহ্ণ
   
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত।

মানবতার রাজনীতির দল বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেছেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা অগ্নিসংযোগ বাক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে জংগীবাদী সন্ত্রাসবাদী স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক অপরাধ হয়েছে।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন সাংবাদিক ও সংবাদ মিডিয়ার স্বাধীনতা হরন ও কন্ঠ রোধ স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক হিংস্র পাশবিক ফ্যাসিবাদী চরিত্র এবং সত্য ও মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামান্তর।

ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান বলেন ক্ষমতাসীন মহল জনগণের জীবনের নিরাপত্তা যেমন রক্ষা করতে পারে নাই তেমনি বাক স্বাধীনতাও রক্ষা করতে পারে নাই, বরং জীবনের নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার হরনকারি ও গণতন্ত্রের শত্রু হিংস্র সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির বিষাক্ত ধারাকে রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে।

জীবনের নিরাপত্তা ও জীবনের স্বাধীনতা এবং ধর্মের মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র ছাড়া রাষ্ট্র একক গোষ্ঠীবাদি হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির জবরদখলে রুদ্ধ ও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আল্লামা ইমাম হায়াত জনগণকে সতর্ক করেছেন।

জীবন ধর্ম রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণকে সকল ধ্বংসাত্মক উগ্রবাদী সন্ত্রাসবাদী হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির দল বর্জন করে সব ধর্মের সব মত পথের সব মানুষের সমান নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার ভিত্তিক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্রের লক্ষ্যে সব মানুষের প্রতিনিধিত্বশীল মানবতার রাজনীতির ভিত্তিতে ইনসানিয়াত বিপ্লবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানান।
– শেখ রায়হান রাহবার, মহাসচিব, #বিশ্ব_ইনসানিয়াত_বিপ্লব_বাংলাদেশ, 01786272829