খুঁজুন
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ২ মাঘ, ১৪৩২

রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫, ৫:১৯ অপরাহ্ণ
রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ

রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ

রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ

প্রতিবেদন ঃ এম এ জামান

সামছুল আলম সরকার রকি—প্রবাসে বসবাস করলেও যাঁর মন পড়ে থাকে দেশের মাটিতেই। ইতালির বলোনিয়া শহরে পরিবারসহ বসবাসকারী এই কুমিল্লার কৃতি সন্তান আজ বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক প্রেরণার নাম। একজন সফল ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, সংগঠক এবং একজন নিবেদিত জাতীয়তাবাদী—এই সবগুলো পরিচয় যেন মিশে আছে তাঁর ব্যক্তিত্বে।

প্রবাস জীবনে সমাজসেবার অগ্রদূতঃ

দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থেকেও তিনি নিজের শিকড় ভুলে যাননি। বরং সুদূর ইতালির মাটিতে বসে দেশের মানুষদের জন্য নিরবচারে কাজ করে যাচ্ছেন, প্রচারের আলোকে না আসার চেষ্টা করেন সবসময়। ইতালিতে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যখন বিপদে পড়েন, তখন তারা নির্ভরতার জায়গা হিসেবে স্মরণ করেন সামছুল আলম সরকার রকির নাম। নিজ সাধ্যের মধ্যে থেকে তিনি চেষ্টা করে যান সমস্যা সমাধানে।

সংগঠক হিসেবে অনন্যঃ

বাংলাদেশ-ইতালি বলোনিয়া প্রবাসী কুমিল্লা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম, যা প্রবাসী কুমিল্লাবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। শুধু ইতালি নয়, ইউরোপের আরও অনেক দেশেই তিনি বাংলাদেশিদের কল্যাণে বহু সংগঠন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।

রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণঃ

সামছুল আলম সরকার রকি একজন আদর্শিক ও নিষ্ঠাবান জাতীয়তাবাদী রাজনীতিক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক হিসেবে প্রবাসে থেকেও তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতা-কর্মীদের অনুপ্রাণিত করেন, সামাজিক মাধ্যমে সরব থেকে সাহস যোগান। তাঁর অকুতোভয় মনোভাব, বিশ্বাস এবং আদর্শিক দৃঢ়তা তাকে বিএনপি সমর্থিত প্রবাসীদের মাঝে একজন সম্মানিত নেতায় পরিণত করেছে।

পারিবারিক পরিচয় ও শিকড়ের টান

সামছুল আলম সরকার রকি কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ওরনপুর গ্রামের সন্তান। তাঁর বাবা মরহুম তোফাজ্জল হোসেন (জনপ্রিয় নাম “তোফাজ্জল চেয়ারম্যান”) ছিলেন একজন সম্মানিত ইউপি চেয়ারম্যান, যাঁর নাম আজও এলাকার মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সামছুল আলম সরকার রকির আরও তিন ভাই রয়েছেন, তারাও ইতালিতে বসবাস করেন এবং প্রত্যেকেই রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

দোয়া প্রার্থী এই সমাজসেবক

সামছুল আলম সরকার রকি সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন—আল্লাহ যেনো তাঁকে নেক হায়াত দান করেন এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণ ও সমাজের সেবায় নিজেকে নিবেদিত রাখতে পারেন।

পরিশেষে……
সামছুল আলম সরকার রকির মতো প্রবাসী ব্যক্তিত্বরা প্রমাণ করে দেন যে, দেশের জন্য ভালোবাসা কোনো ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। তিনি নিঃশব্দে, নিরলসভাবে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ান—তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুসরণযোগ্য। রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে তিনি শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই নয়, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেও রেখেছেন অসামান্য অবদান।”



জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
   
জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ

জিয়া ও খালেদার কবর জিয়ারত করলেন মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ


নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ বিকেলে সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় মালয়েশিয়া বিএনপি ও যুবদলের নেতৃবৃন্দ রাজধানীর জিয়া উদ্যানে তাঁদের কবর জিয়ারত করেন।
কবর জিয়ারত শেষে নেতৃবৃন্দ মরহুমদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. ওয়ালিউল্লাহ জাহিদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ মিয়া, প্রচার সম্পাদক এস এম বশির আলম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জাফর, আইটি বিষয়ক সম্পাদক এম. ফরহাদ হোসেন, উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, সাবেক জাসাস নেতা লায়ন শেখ ফরিদ উদ্দিন, মমতাজুল হক লিটন এবং হাসান (সদস্য, মালয়েশিয়া বিএনপি)।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম খান (সভাপতি), রফিকুল ইসলাম ইলিয়াস (সাধারণ সম্পাদক), মো. বাদ হাওলাদার (সহ-সাধারণ সম্পাদক), আরিফ হোসেন, সাইফুল সোহেল রানা, আব্দুল্লাহ আর রাফিউ ও শাহিন আলম সহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ অনুসরণ করে দেশ ও দলের জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়াই হবে তাঁদের প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৯ অপরাহ্ণ
   
সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
  1. সবার আগে দেশপ্রেম দরকার: সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান
    স্টাফ রিপোর্টার: এম এ জামান

দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য সবার আগে প্রয়োজন দেশপ্রেম—এমন মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান। তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রত্যেক নাগরিককে কর প্রদানে আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে হবে।
শুক্রবার বিকেলে মতিঝিলে ভ্যাট, ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স বিষয়ে ছয় মাসব্যাপী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিনিয়র সচিব এবিএম শাহজাহান আরও বলেন, রাজস্ব আদায়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। এ ক্ষেত্রে দেশের সকল করদাতা নাগরিককে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্যাক্স প্রদানে আগ্রহী হতে হবে। কর ফাঁকির সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত ভ্যাট ব্যবস্থা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সঠিক পদ্ধতিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদান করা আমাদের সকলের নৈতিক ও নাগরিক দায়িত্ব। জনগণকে ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রদানে উদ্বুদ্ধ করা ভ্যাট-ট্যাক্স প্র্যাকটিশনারদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। দেশপ্রেম ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে সকল প্রতিষ্ঠানকে আরও জোরালোভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
৬ ডি বিচ সল্যুশন কনসালটেন্সি ফার্ম আয়োজিত এই ছয় মাসব্যাপী ডিপ্লোমা কোর্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি এবিএম শাহজাহান। তিনি কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ৬ ডি বিচ সল্যুশনের ব্যবস্থাপনা পার্টনার ও আয়কর আইনজীবী মোঃ মাহমুদুল হাসান বলেন, ভ্যাট ও ট্যাক্স প্র্যাকটিস অ্যান্ড কমপ্লায়েন্সকে একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি। আমরা রাজস্ব আদায়ের যোদ্ধা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছি। কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য। দুর্নীতি রোধে জিহাদের মতো মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে এবং সবাইকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন একেএম দেলোয়ার হোসেন, এফসিএমএ, ড. নুরুল আজহার (প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ভ্যাট বার অ্যাসোসিয়েশন), মোঃ সাইফুল ইসলাম, এফসিএ, এনবিআরের রাজস্ব কর্মকর্তা আসিফ আহমেদসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২১ অপরাহ্ণ
   
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আল্লামা ইমাম হায়াত।

মানবতার রাজনীতির দল বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান আল্লামা ইমাম হায়াত বলেছেন প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার অফিসে হামলা অগ্নিসংযোগ বাক স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে জংগীবাদী সন্ত্রাসবাদী স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক অপরাধ হয়েছে।

আল্লামা ইমাম হায়াত বলেন সাংবাদিক ও সংবাদ মিডিয়ার স্বাধীনতা হরন ও কন্ঠ রোধ স্বৈরদস্যুতান্ত্রিক হিংস্র পাশবিক ফ্যাসিবাদী চরিত্র এবং সত্য ও মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামান্তর।

ইনসানিয়াত বিপ্লবের চেয়ারম্যান বলেন ক্ষমতাসীন মহল জনগণের জীবনের নিরাপত্তা যেমন রক্ষা করতে পারে নাই তেমনি বাক স্বাধীনতাও রক্ষা করতে পারে নাই, বরং জীবনের নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার হরনকারি ও গণতন্ত্রের শত্রু হিংস্র সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির বিষাক্ত ধারাকে রাষ্ট্রীয় প্রশ্রয় দিয়ে চলেছে।

জীবনের নিরাপত্তা ও জীবনের স্বাধীনতা এবং ধর্মের মানবিক মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র ছাড়া রাষ্ট্র একক গোষ্ঠীবাদি হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির জবরদখলে রুদ্ধ ও ধ্বংস হয়ে যাবে বলে আল্লামা ইমাম হায়াত জনগণকে সতর্ক করেছেন।

জীবন ধর্ম রাষ্ট্র ও গণতন্ত্র রক্ষায় জনগণকে সকল ধ্বংসাত্মক উগ্রবাদী সন্ত্রাসবাদী হিংস্র পাশবিক সাম্প্রদায়িক স্বৈররাজনীতির দল বর্জন করে সব ধর্মের সব মত পথের সব মানুষের সমান নিরাপত্তা-স্বাধীনতা-অধিকার ভিত্তিক বৈষম্যহীন অসাম্প্রদায়িক সর্বজনীন মানবতার রাষ্ট্রের লক্ষ্যে সব মানুষের প্রতিনিধিত্বশীল মানবতার রাজনীতির ভিত্তিতে ইনসানিয়াত বিপ্লবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আবেদন জানান।
– শেখ রায়হান রাহবার, মহাসচিব, #বিশ্ব_ইনসানিয়াত_বিপ্লব_বাংলাদেশ, 01786272829