রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ
রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ
রেমিট্যান্স যোদ্ধা, সমাজসেবক ও সংগঠক সামছুল আলম সরকার রকি: নিঃশব্দে দেশের জন্য নিবেদিত এক প্রাণ
প্রতিবেদন ঃ এম এ জামান
সামছুল আলম সরকার রকি—প্রবাসে বসবাস করলেও যাঁর মন পড়ে থাকে দেশের মাটিতেই। ইতালির বলোনিয়া শহরে পরিবারসহ বসবাসকারী এই কুমিল্লার কৃতি সন্তান আজ বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক প্রেরণার নাম। একজন সফল ব্যবসায়ী, সমাজসেবক, সংগঠক এবং একজন নিবেদিত জাতীয়তাবাদী—এই সবগুলো পরিচয় যেন মিশে আছে তাঁর ব্যক্তিত্বে।
প্রবাস জীবনে সমাজসেবার অগ্রদূতঃ
দীর্ঘ সময় ধরে প্রবাসে থেকেও তিনি নিজের শিকড় ভুলে যাননি। বরং সুদূর ইতালির মাটিতে বসে দেশের মানুষদের জন্য নিরবচারে কাজ করে যাচ্ছেন, প্রচারের আলোকে না আসার চেষ্টা করেন সবসময়। ইতালিতে অবস্থানরত কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যখন বিপদে পড়েন, তখন তারা নির্ভরতার জায়গা হিসেবে স্মরণ করেন সামছুল আলম সরকার রকির নাম। নিজ সাধ্যের মধ্যে থেকে তিনি চেষ্টা করে যান সমস্যা সমাধানে।
সংগঠক হিসেবে অনন্যঃ
বাংলাদেশ-ইতালি বলোনিয়া প্রবাসী কুমিল্লা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তাঁর নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে একটি সুসংগঠিত, ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম, যা প্রবাসী কুমিল্লাবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। শুধু ইতালি নয়, ইউরোপের আরও অনেক দেশেই তিনি বাংলাদেশিদের কল্যাণে বহু সংগঠন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রেখেছেন।
রাজনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণঃ
সামছুল আলম সরকার রকি একজন আদর্শিক ও নিষ্ঠাবান জাতীয়তাবাদী রাজনীতিক। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর একজন নিবেদিতপ্রাণ সৈনিক হিসেবে প্রবাসে থেকেও তিনি আন্দোলন-সংগ্রামে নেতা-কর্মীদের অনুপ্রাণিত করেন, সামাজিক মাধ্যমে সরব থেকে সাহস যোগান। তাঁর অকুতোভয় মনোভাব, বিশ্বাস এবং আদর্শিক দৃঢ়তা তাকে বিএনপি সমর্থিত প্রবাসীদের মাঝে একজন সম্মানিত নেতায় পরিণত করেছে।
পারিবারিক পরিচয় ও শিকড়ের টান
সামছুল আলম সরকার রকি কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার ওরনপুর গ্রামের সন্তান। তাঁর বাবা মরহুম তোফাজ্জল হোসেন (জনপ্রিয় নাম “তোফাজ্জল চেয়ারম্যান”) ছিলেন একজন সম্মানিত ইউপি চেয়ারম্যান, যাঁর নাম আজও এলাকার মানুষ শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। সামছুল আলম সরকার রকির আরও তিন ভাই রয়েছেন, তারাও ইতালিতে বসবাস করেন এবং প্রত্যেকেই রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
দোয়া প্রার্থী এই সমাজসেবক
সামছুল আলম সরকার রকি সকলের নিকট দোয়া কামনা করেছেন—আল্লাহ যেনো তাঁকে নেক হায়াত দান করেন এবং যতদিন বেঁচে থাকবেন, মানুষের কল্যাণ ও সমাজের সেবায় নিজেকে নিবেদিত রাখতে পারেন।
পরিশেষে……
সামছুল আলম সরকার রকির মতো প্রবাসী ব্যক্তিত্বরা প্রমাণ করে দেন যে, দেশের জন্য ভালোবাসা কোনো ভৌগোলিক সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। তিনি নিঃশব্দে, নিরলসভাবে যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়ান—তা সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুসরণযোগ্য। রেমিট্যান্স যোদ্ধা হিসেবে তিনি শুধু অর্থনৈতিক সহায়তাই নয়, দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতেও রেখেছেন অসামান্য অবদান।”

আপনার মতামত লিখুন